মুপ্পোছড়া ঝর্ণা | Muppochora Waterfall
মুপ্পোছড়া ঝর্ণা | Muppochora Waterfall
বর্ষা আসলে ঝর্ণাগুলো তার হারানো যৌবন যেনো ফিরে পায়। সেই সাথে বাড়তে থাকতে পর্যটকদের আনাগোনা। এডভেঞ্চার আর ট্র্যাকিং প্রিয় মানুষদের আদর্শ জায়গা পাহাড় আর পাহাড়ের গহীনে অবস্থিত এইসব বুনো জলপ্রপাত। দূর্গম পাহাড়ি পথে ট্র্যাকিং, ঝিরি পথ ফেরিয়ে জনহীন বুনো অরণ্য আর প্রকৃতির একান্ত সান্নিধ্য সব কিছুর দেখা পেতে চাইলে ছুটিতে বেরিয়ে পড়ুন রাঙামাটির মুপ্পোছড়া ঝর্ণায়।
![]() |
| ন'কাটা ঝর্ণার আপ স্টিম মুপ্পোছড়া ঝর্ণা |
রাঙামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার বাঙ্গালকাটা নামক জায়গায় মুপ্পোছড়া ঝর্ণাটি অবস্থিত। একটি ঝরা স্বত্বেও এর পানির স্রোত এতোটা ব্যাপ্তি নিয়ে নিচে ছুটে আসে যে, প্রস্থের দিক থেকে এটি বাংলাদেশের সব চেয়ে বড় ঝর্ণা। দূর্গম পার্বত্য এলাকা হওয়ায় এখানে অসংখ্য ছোট বড় পাহাড়ে আছে প্রচুর ঝর্ণা। প্রায় ৩০০ ফিট উপর থেকে বেয়ে নেমে আসা স্বচ্ছ জল নিখাদ মুগ্ধতার পরশ বুলিয়ে দেয় মন জুড়ে।
যেভাবে যাবেন?
মুপ্পোছড়া পৌঁছাতে হলে যেতে হবে কাপ্তাই। হানিফ, সৌদিয়া, শ্যামলী, এস আলম পরিবহণে করে সরাসরি কাপ্তাই ঝেটিঘাট। ভাড়া ৫৫০ টাকা করে। ঝেটিঘাট থেকে একটি ট্রলার ভাড়া করে আড়াই ঘণ্টায় বিলাইছড়ি। লোকাল কিংবা রিজার্ভ দু ভাবেই যেতে পারেন। লোকালে জনপ্রতি ৬০ টাকা এবং রিজার্ভ করলে গুণতে হবে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা। ৮.৩০ টা থেকে শুরু করে এক দেড় ঘণ্টা পরপর এখান থেকে ট্রলার ছেড়ে যায়।
বিলাইছড়ি পৌঁছে আবার হাসপাতাল ঘাট থেকে ট্রলার রিজার্ভ করে বাঙ্গালকাট পর্যন্ত যেতে হবে। ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের পথ যেতে ভাড়া ১০০০ টাকার মতো পড়বে। এখানে নেমে গাইড ঠিক করে নিবেন। ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে গাইড পেয়ে যাবেন। তারপর আড়াই ঘণ্টার ট্র্যাকিং শেষে মুপ্পোছড়া ঝর্ণা।
কোথায় থাকবেন?
রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে আপনি বেশকিছু হোটেল পাবেন, যেমনঃ রিজার্ভ বাজার , দোয়েল চত্বর, রাঙামাটি মেইন বাজার (বনরূপা)।
কোথায় খাবেন?
বিলাইছড়ির বকুলের দোকানে খেতে পারেন। তাছাড়া নিরিবিলি বোর্ডিং এর পাশে ভাতঘর নামে একটি হোটেল আছে। বন মোরগ, কাপ্তাইয়ের মাছ দিয়ে ভালো খেতে পারেন।

.png)
.png)
.png)
.png)
No comments